বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৫, ২০২৪

  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজকের পত্রিকা  |  ই-পেপার  |  আর্কাইভ   |  কনভার্টার  |   অ্যাপস  |  বেটা ভার্সন

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৫, ২০২৪

  |  ঢাকা, বাংলাদেশ  |  আজকের পত্রিকা  |  ই-পেপার  |  আর্কাইভ   |   কনভার্টার  |   অ্যাপস  |  বেটা ভার্সন

খুলনায় মায়ের নামে কেনা পাট গোডাউন পরিদর্শন

জাতির পিতার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

বার্তা সরণি প্রতিবেদন

বার্তা সরণি প্রতিবেদন

| অনলাইন সংস্করণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বেলা বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তাঁর ছোট বোন জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে ফাতেহা পাঠ করেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিয়োগান্তক ঘটনার অন্যান্য শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাতে যোগ দেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার মহান স্থপতির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্মমভাবে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন। জাতির পিতার সমাধি সৌধে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সকাল সোয়া ৮টার দিকে সড়ক পথে গণভবন থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু পার হয়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বিকালে ব্যক্তিগত সফরে সড়ক পথে খুলনায় যান। বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী খুলনার নগরঘাট খেয়াঘাট সংলগ্ন ভৈরব নদের তীরে পৌঁছান। ঘাট পার হয়ে তার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা পাট গুদাম পরিদর্শন করেন তিনি। এর আগে বিকাল ৩টার দিকে টুঙ্গিপাড়া থেকে সড়ক পথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে দিঘলিয়া উপজেলায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা ৪ বিঘা জমির ওপর স্থাপিত দুটি পাটগুদাম দেখতে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিঘলিয়ায় নিজ মায়ের নামে করা পাটগুদাম দুটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খুলনায় ব্যক্তিগত সকল কর্মসূচি শেষে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় ফিরেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা টুঙ্গিপাড়ায় রাতযাপন করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবশেষ ২০১৮ সালের ৩ মার্চ খুলনায় যান। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শনিবার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর দলের বর্ধিত সভা শেষে বিকালে ঢাকায় ফিরবেন।
পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে দিঘলিয়ার ভৈরব নদের কোলঘেষে নগরঘাট এলাকায় ১ একর ৪৪ শতক (৪ বিঘা) জমিতে পাট গোডাউন ও এক কক্ষ বিশিষ্ট ঘরসহ জমি কেনেন। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর ছোটভাই শেখ আবু নাসের এ জমি দেখাশোনা করতেন। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী এ জমির মালিক হলেও তিনি জানতেন না। ২০০৭ সালে তার ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে এ জমির খোঁজ পান। বঙ্গবন্ধুর পুরাতন সেই পাট গোডাউন ভেঙে সেখানে আধুনিক গুদামঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর তীরবর্তী স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে রেস্ট হাউজ। গোডাউন সংলগ্ন পাকা রাস্তার নামকরণ হয়েছে শেখ রাসেলের নামে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

শীত বস্ত্র বিতরণ করলো মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশন

বার্তা সরণি প্রতিবেদক:প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র না থাকায় খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের সাহায্যে শীত নিবারণ করছে পাবনার সাঁথিয়াবাসী। শীতের তীব্রতা অনেকাংশই বেশি এখানে। এছাড়া গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির...

মেধাবি সিয়ামের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন মানবিক এমপি জয়

মানবতায় এগিয়ে আসলেন সিরাজগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য ও উত্তরবঙ্গের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়। এসএসসি পরীক্ষায় বাণিজ্য বিভাগ থেকে রাজশাহী বোর্ডে প্রথম...

বঙ্গবন্ধুকে ফিরে না পেলে স্বাধীনতা পূর্ণতা পেতো না : মেয়র তাপস

বার্তা সরণি প্রতিবেদক:ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি ১৯৭২ সালের ১০...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বেলা বেলা ১১টা ১০ মিনিটে তাঁর ছোট বোন জাতির পিতার কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে ফাতেহা পাঠ করেন এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বিয়োগান্তক ঘটনার অন্যান্য শহীদদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে মোনাজাতে যোগ দেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী স্বাধীনতার মহান স্থপতির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কিছু বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্মমভাবে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন। জাতির পিতার সমাধি সৌধে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। সকাল সোয়া ৮টার দিকে সড়ক পথে গণভবন থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতু পার হয়ে সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে দুই দিনের ব্যক্তিগত সফরে টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বিকালে ব্যক্তিগত সফরে সড়ক পথে খুলনায় যান। বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী খুলনার নগরঘাট খেয়াঘাট সংলগ্ন ভৈরব নদের তীরে পৌঁছান। ঘাট পার হয়ে তার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা পাট গুদাম পরিদর্শন করেন তিনি। এর আগে বিকাল ৩টার দিকে টুঙ্গিপাড়া থেকে সড়ক পথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া থেকে দিঘলিয়া উপজেলায় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে কেনা ৪ বিঘা জমির ওপর স্থাপিত দুটি পাটগুদাম দেখতে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিঘলিয়ায় নিজ মায়ের নামে করা পাটগুদাম দুটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে খুলনায় ব্যক্তিগত সকল কর্মসূচি শেষে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় ফিরেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা টুঙ্গিপাড়ায় রাতযাপন করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবশেষ ২০১৮ সালের ৩ মার্চ খুলনায় যান। প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল শনিবার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর দলের বর্ধিত সভা শেষে বিকালে ঢাকায় ফিরবেন।
পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে দিঘলিয়ার ভৈরব নদের কোলঘেষে নগরঘাট এলাকায় ১ একর ৪৪ শতক (৪ বিঘা) জমিতে পাট গোডাউন ও এক কক্ষ বিশিষ্ট ঘরসহ জমি কেনেন। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুর ছোটভাই শেখ আবু নাসের এ জমি দেখাশোনা করতেন। বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী এ জমির মালিক হলেও তিনি জানতেন না। ২০০৭ সালে তার ব্যক্তিগত আইনজীবীর মাধ্যমে এ জমির খোঁজ পান। বঙ্গবন্ধুর পুরাতন সেই পাট গোডাউন ভেঙে সেখানে আধুনিক গুদামঘর নির্মাণ করা হয়েছে। নদীর তীরবর্তী স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে রেস্ট হাউজ। গোডাউন সংলগ্ন পাকা রাস্তার নামকরণ হয়েছে শেখ রাসেলের নামে।